



| বৃহস্পতিবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 425 বার পঠিত

ঢাকায় পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে হোয়াইট হাউসের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন ঝানু কূটনীতিক ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। বর্ণাঢ্য ক্যরিয়ারে বিভিন্ন দেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে অভিজ্ঞতার ঝুলিকে সমৃদ্ধ করেছেন স্টেট ডিপার্টমেন্টের পেশাদার ওই কর্মকর্তা। ট্রাম্প প্রশাসন আগেই তাকে রাষ্ট্রদূত করছিলো, এবার সেই মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছে।
তার নিয়োগ সংক্রান্ত বিবৃতিতে বলা হয়, ফরেন সার্ভিসের সিনিয়র সদস্য ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ভার্জিনিয়া রাজ্যের বাসিন্দা। ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের ‘কার্যত দূতাবাস’, আমেরিকান ইনস্টিটিউট ইন তাইওয়ান (এআইটি)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে তিনি তাইওয়ানে আমেরিকান ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক এবং স্টেট ডিপার্টমেন্টের তাইওয়ান সমন্বয় অফিসের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ক্রিস্টেনসেন ডেনিশ আমেরিকান শিল্পী সিসিএ ক্রিস্টেনসেনের প্রপৌত্র।
তিনি ব্রিগহাম ইয়ং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চীনা ভাষা ও সাহিত্যে বিএ, জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পূর্ব এশিয়ান স্টাডিজে এমএ এবং ওরিগন স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিএমডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ফরেন সার্ভিসে আসার আগে ক্রিস্টেনসেন মার্কিন বিমান বাহিনীর ক্যাপ্টেন ছিলেন। স্টেট ডিপার্টমেন্টের পূর্ব এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয়ক ব্যুরোর তাইওয়ান সমন্বয় অফিসের পরিচালক হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট মা ইং-জেউ-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাইওয়ানের প্রতি মার্কিন নীতি প্রণয়নে তার প্রধান ভূমিকা ছিল।
২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি বেইজিংস্থ মার্কিন দূতাবাসে পরিবেশ, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শদাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা, এইচআইভি/এইডস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের উপর কর্মী গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দেন। ক্রিস্টেনসেন মার্কিন সাবেক সিনেটর অলিম্পিয়া স্নোর কর্মীদের একজন কংগ্রেসনাল ফেলো হিসেবেও কাজ করেন। দক্ষিণ আফ্রিকায়ও কাজ করেছেন তিনি। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ঘোষণা করা হয় ক্রিস্টেনসেন স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে অবসর গ্রহণের পর ব্রিগহাম ইয়ং বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করবেন।
২০২১ সালের ১৮ই জুন তাকে জাতীয় সান ইয়াত-সেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজ বিজ্ঞানের সম্মানসূচক ডক্টর ডিগ্রি দেয়া হয়। ২০২১ সালের ২৪শে জুন তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ক্রিস্টেনসেনকে গ্র্যান্ড মেডেল অব ডিপ্লোমেসি দেয়া হয়। একই বছর ২৫শে জুন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন ক্রিস্টেনসেনকে গ্র্যান্ড কর্ডনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের অফিস অর্ডার অফ দ্য ব্রিলিয়ান্ট স্টার প্রদান করে।

Posted ৫:৩৮ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
manchitronews.com | Staff Reporter


