জীবনের নানা প্রয়োজনে, আমরা এখন ইন্টারনেটনির্ভর হয়ে পড়েছি। পড়াশোনা, কাজের পাশাপাশি বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম ইন্টারনেট। কিন্তু প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, ইন্টারনেটে আমরা সবাই কি নিরাপদ? অসুবিধা হচ্ছে, ইন্টারনেটে আমরা সবাই নিরাপদ নই। আর তাই সবাইকে নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহারে সচেতন হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে, শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট/সাইট ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার খুব যে কঠিন তা নয়। এটি ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হচ্ছে সচেতনতা। আসলে নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ‘অনলাইন নিরাপত্তা’র বিষয়ে ভালো ধারণা থাকা প্রয়োজন। কম্পিউটার, স্মার্টফোন ব্যবহার করলেও ইন্টারনেট ব্যবহারে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। পাশাপাশি শিশুদের নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দিতে সবাই মিলে সাহায্য করতে হবে। এ ব্যাপারে সহযোগিতা করতে পারেন বাবা-মা, অভিভাবক বা বাড়িতে শিশুর যত্নকারী। যেখানে শিশুরা বাড়িতে বেশিরভাগ সময় তাদের সান্নিধ্যে থাকে। তাই শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে বাবা-মা, অভিভাবক, শিশু-যত্নকারীকে কিছু দায়িত্ব নিতে হবে।
শিশুদের জানাতে হবে যে, সে যদি অনলাইনে অপ্রীতিকর আচরণের শিকার হয়, কেউ তাকে বাজে কথা বলে বা ভয় দেখায়, তবে তার উত্তর দেওয়া ঠিক নয়। শিশু বার্তাগুলো মুছবে না, রেখে দেবে এবং একজন বিস্ত বড় মানুষকে জানাবে যে শিশুকে সাহায্য করতে পারবে। শিশুকে বলতে হবে, অনুমতি ছাড়া অন্য কারও ছবি, ভিডিও কিংবা অন্যান্য তথ্য অনলাইনে পোস্ট করা যাবে না। কখনো নিজের পাসওয়ার্ড অন্য কারও সঙ্গে শেয়ার করা যাবে না। এমনকি খুব কাছের বন্ধুর সঙ্গেও না। অনলাইনে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য না দেওয়া ভালো। ব্যক্তিগত তথ্য বলতে বোঝায় শিশুর নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, ছবি ইত্যাদি। নিজের ব্যাপারে সতর্ক থাকা দরকার। অনলাইনে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়াও অনলাইনে অপরিচিতদের এড়িয়ে চলতে হবে। অনলাইনে অপরিচিত বলতে বোঝায় এমন কাউকে, যাকে শিশু বাস্তবে চেনে না। শিশু যদি কোনো গেম খেলার সময় অচেনা কারও কাছ থেকে বন্ধুত্বের অনুরোধ পায়, তাহলে তা সে গ্রহণ করবে না। এ সম্পর্কে তার বাবা-মা কিংবা বড় যাকে সে বিশ্বাস করে, এমন কাউকে জানাবে। শুধু অনলাইনে পরিচিত, বাস্তবে আগে কখনো দেখা হয়নি, এমন কারও সঙ্গে একা দেখা করতে যাওয়া যাবে না। যদি যেতে হয়, তাহলে শিশু অবশ্যই তার বাবা অথবা মা কিংবা বিস্ত বড় কাউকে সঙ্গে নিয়ে যাবে। শিশু যদি অনলাইনে এমন কিছু দেখে, যা তাকে ভীত, বিভ্রান্ত বা বিরক্ত করে, তবে সেই বিষয়টি কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। অনলাইনে কিছু দেখার সময় যদি শিশু খারাপ বা ভীতিকর কিছু দেখে, তবে তা দেখা বন্ধ করে দেবে এবং সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাটি বিস্ত বড় কাউকে জানাবে।
বাড়িতে ইন্টারনেট ব্যবহারের নিয়ম তৈরি করা : বাড়িতে কখন, কোথায় এবং কীভাবে শিশুরা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে, তার জন্য স্পষ্ট নির্দেশিকা তৈরি করা প্রয়োজন। এর জন্য নিয়ম ঠিক করুন। যেমন শুধু বাড়ির সাধারণ এলাকায় ইন্টারনেট ব্যবহার করা এবং স্কুলের দিনে ডিভাইস ব্যবহারের সময় এক ঘণ্টায় সীমাবদ্ধ করা। সকাল, দুপুর এবং রাতে খাবার সময় পরিবারের সবার ইন্টারনেট, ট্যাব, মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং টেলিভিশন দেখা থেকে বিরত থাকা। ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে ইন্টারনেট ও ডিভাইস ব্যবহার থেকে বিরত থাকা। বাড়িতে ডিভাইসগুলো স্থান নির্ধারণ করা। যেমন শোবার ঘর, যেখানে ইন্টারনেট সংযোগ থাকবে না।
বি স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুসরণ করা : পরিবারের বড়-ছোট সবার ইন্টারনেট বা ডিভাইস ব্যবহার বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি গাইডলাইন আছে। তাতে বলা হয়েছে ০-২৪ মাস বয়সের শিশুরা মোবাইল ফোন, ট্যাব, ইন্টারনেট ব্যবহার করবে না। ২-৫ বছর বয়সের শিশুরা দিনে এক ঘণ্টার বেশি মোবাইল ফোন, ট্যাব বা ইন্টারনেট ব্যবহার করবে না। ৬ বছরের বেশি বয়সের শিশুরা মোবাইল ফোন, ট্যাব বা ইন্টারনেট ব্যবহার সীমিত রেখে নিয়মিত খেলাধুলা করবে।
শিশুকে সঙ্গে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া : কোন সময়ে মোবাইল ফোন, ট্যাব বা ইন্টারনেট ব্যবহার করা হবে, কিংবা টেলিভিশন দেখা হবে, সেই বিষয়ে অভিভাবক শিশুকে সঙ্গে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। অভিভাবক শিশুকে সঙ্গে নিয়ে এই মর্মে সিদ্ধান্ত নেবেন যে, সকালে, দুপুরে ও রাতে খাবার সময় পরিবারের কেউ মোবাইল ফোন, ট্যাব বা ইন্টারনেট ব্যবহার না করা, টেলিভিশন না দেখাসহ আরও যে নিয়ম তৈরি করা হয়েছে, তা সবাই মেনে চলবে। খাবার সময় ছাড়াও সপ্তাহের কোনো একটা দিন, কিছু সময়ের (আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা) জন্য পরিবারের কেউ ইন্টারনেট এবং ডিভাইস ব্যবহার করবে না।
শিশুকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া : পরিকল্পনা করে শিশুর সঙ্গে খেলা এবং বেড়াতে যাওয়া জরুরি। সে সঙ্গে দরকার রাতে ঘুমানোর আগে শিশুকে মজার গল্প বলা বা গল্পের বই পড়ে শোনানো। অথবা শিশুর কাছ থেকে গল্প শোনা। ঘরের বিভিন্ন সাধারণ উপকরণ দিয়ে শিশুর সঙ্গে খেলা। পেনসিল, কলম, সবজি বা ফল ইত্যাদি হতে পারে খেলার উপাদান। বাড়িতে শিশুর খেলার জন্য জায়গা করে দেওয়া। যেখানে শিশু তার খেলার উপকরণ ও পছন্দের বই রাখবে। শিশুকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির উঠানে বা ছাদে বাগান করা। শিশুকে গাছের যতœ নিতে উৎসাহিত করা। দিনের বা সপ্তাহের একটি সময় বাড়ির সবাই মিলে বই পড়া বা পছন্দের কোনো কাজ করার সময় নির্ধারণ করা। পারিবারের সবাই একসঙ্গে বসে গল্প করার জন্য দিনের বা সপ্তাহের একটা সময় নির্ধারণ করা। যেন প্রত্যেকে নিজের ভালোলাগা, মন খারাপের বিষয়, ভালো না লাগার কারণ ইত্যাদি নিয়ে কথা বলতে পারে।
প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সেটআপ : শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে, শিশুদের জন্য ডিভাইসে সফটওয়্যার বা সেটিংস ব্যবহার করে অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে প্রবেশ সীমিত করা এবং শিশুদের অনলাইন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা। পাশাপাশি যে মোবাইল ফোন বা ট্যাব শিশু ব্যবহার করে তাতে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল অ্যাপ কার্যকর করা। যাতে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটগুলোতে প্রবেশ বন্ধ করা যায় এবং শিশুর বয়সের অনুপযুক্ত অ্যাপ ডাউনলোড সীমাবদ্ধ করা যায়।
নিরাপদ অনলাইন সাইটগুলো নির্ধারণ করা : বাবা-মা বা অভিভাবকের দায়িত্ব হবে শিশুর ব্যবহারের জন্য নিরাপদ ও নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো চিহ্নিত করা এবং ব্যবহার করা। শিশুর জন্য ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক কিডস, পিবিএস কিডস, সিসিমপুরের মতো শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট এবং অ্যাপগুলোর একটি তালিকা তৈরি করা, যা শিশুরা শেখার এবং বিনোদনের জন্য ব্যবহার করতে পারে।
কার্যকর ও ইতিবাচক পর্যবেক্ষণ করা : শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়মিত পরীক্ষা এবং ইতিবাচকভাবে তত্ত্বাবধান করা জরুরি, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে, শিশু প্রতিষ্ঠিত নিয়মগুলো অনুসরণ করছে এবং নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। শিশুর ডিভাইসে ব্রাউজার ইতিহাস পর্যায়ক্রমে পর্যালোচনা করা, পর্যবেক্ষণ অ্যাপগুলো ব্যবহার করা এবং শিশু অনলাইনে থাকাকালীন তাদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে বসা, যাতে তারা কী করছে তা দেখা যায়। ডিভাইস ব্যবহারের সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা : বাবা-মা বা অভিভাবক নিশ্চিত করবেন যে শিশুদের ডিভাইস ব্যবহার এবং বাইরের খেলাধুলা, পড়া এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর মতো অন্যান্য কার্যক্রমের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য আছে। তারা শিশুদের জন্য একটি দৈনিক সময়সূচি সেট করবেন, যাতে হোমওয়ার্ক, বাইরের খেলা, পারিবারিক কার্যক্রম এবং সীমিত পরিমাণে ডিভাইস ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত থাকে।
উদ্বেগ এবং সমস্যা সমাধান করা : বাবা-মা এবং অভিভাবক শিশুর ইন্টারনেট ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো সমস্যা বা উদ্বেগ ফেলে না রেখে কিংবা এড়িয়ে না গিয়ে তা দ্রুত সমাধান করবেন। যেমন শিশু অনাকাক্সিক্ষত কোনো বিষয় বা সাইবার বুলিংয়ের সম্মুখীন হলে দ্রুত সাড়া দিন। শিশু যদি অনলাইনে কোনো খারাপ বার্তা পায়, তবে সে সম্পর্কে শিশুর সঙ্গে কথা বলা দরকার, সমস্যাটি রিপোর্ট করা এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার উপায় নিয়ে শিশুর সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।
শিশুদের সঙ্গে ইন্টারনেটের নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলা : শিশুর সঙ্গে যেমন নিয়মিত অনলাইনে নিরাপদ থাকার গুরুত্ব সম্পর্কে কথা বলতে হবে। কীভাবে এটি করতে হবে তা শেখানো দরকার তেমনি শিশুর কাছে ব্যাখ্যা করে বলতে হবে যে, কেন অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করা উচিত নয়। যদি তারা তা করে, তবে কী হতে পারে তার উদাহরণ দেওয়ারও প্রয়োজন আছে।
শিশুদের তাদের অনলাইন অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে উৎসাহিত করা : শিশুরা অনলাইনে কী করে এবং দেখে সে সম্পর্কে কথা বলার জন্য আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করা। শিশুকে তার প্রিয় ওয়েবসাইট বা অ্যাপগুলো দেখাতে বলা এবং তারা অনলাইনে কী করতে পছন্দ করে সে সম্পর্কে কথা বলা।
বিাস এবং সচেতনতা তৈরি করা : শিশুর সঙ্গে বিাসযোগ্য সম্পর্ক স্থাপন করা, যাতে তারা ইন্টারনেট ব্যবহার বিষয়ে যেকোনো উদ্বেগ বা প্রশ্ন নিয়ে আসতে নিরাপদ বোধ করে। শিশুকে জানাতে হবে যে, তারা অনলাইনে যা কিছুর সম্মুখীন হয়, তা নিয়ে তারা বাবা-মা কিংবা বিশ্বস্ত বড় কারও সঙ্গে কথা বলতে পারে। শাস্তির ভয় নয় বরং তাদের নিরাপদ রাখতে বাবা-মা কিংবা বড়রা আছেন, তা নিশ্চিত করা।
ইন্টারনেট নিরাপত্তা সম্পর্কে ইন্টারেক্টিভ গেম খেলা : শিশুকে ইন্টারনেট-নিরাপত্তার নিয়ম শেখানোর অনলাইন গেম খেলতে দেওয়া। শিশুদের জন্য ডিজাইন করা অনলাইন গেমগুলো শিশু আনন্দ নিয়ে খেলবে। যা তাকে অনলাইনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি চেনাতে এবং তার ব্যক্তিগত তথ্য রক্ষা করার নিয়মগুলো শেখাবে। নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার সম্পর্কে গল্পের বই পড়া এবং ভিডিও দেখানো : শিশুদের ইন্টারনেট নিরাপত্তা সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা গল্পের বই পড়তে দেওয়া কিংবা ভিডিও দেখানো। ইউনিসেফ, সিসেমি স্ট্রিট ও সিসিমপুরের ভিডিওগুলো শিশুদের দেখতে দেওয়া যেতে পারে, যা অনলাইনে নিরাপদ থাকার নিয়ম শেখায়। অথবা একটি গল্পের বই পড়তে দেওয়া, যেখানে একটি চরিত্র নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার শেখাচ্ছে।
আনন্দের মাধ্যমে শেখা জোরদার করা : শিশুদের ইন্টারনেট নিরাপত্তা সম্পর্কে শেখানোর জন্য ইন্টারেক্টিভ এবং আকর্ষণীয় কার্যক্রম ব্যবহার করা, যা শিশুরা উপভোগ করবে এবং মনে রাখবে। মনে রাখা দরকার, ইন্টারনেটে কোনো অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতিতে শিশু কোনো ব্যাপারে সাহায্য চাইলে তার ওপর আস্থা রাখতে হবে। সে লজ্জা পায়, এমন বিষয় নিয়ে এমনিতেই অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলা শিশুদের জন্য অনেক কঠিন ব্যাপার। সহানুভূতি নিয়ে শিশুর কথা শোনা। সন্তান বুলিংয়ের শিকার হলে সন্তানকে মানসিকভাবে শক্ত করে তোলা, যেন এই পরিস্থিতি থেকে সে নিজেই নিজের উত্তরণ ঘটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। সাধারণত অভিভাবকরা শিশুকে কষ্ট পেতে দেখলে আবেগপ্রবণ হয়ে যান। তাই কোনো কিছু করার আগে যৌক্তিকভাবে চিন্তা করা এবং নিজের আচরণ নিয়ন্ত্রণে রাখা। শিশুর আত্মবিশ্বাস ও আত্মসম্মান ফিরিয়ে আনার প্রতি লক্ষ্য রাখা দরকার। বুলিংয়ের সমস্যা সমাধানের পরে এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সমস্যা সমাধান হওয়ার পরও সন্তানের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলে তাকে সমর্থন জানানো ভীষণ প্রয়োজন।
লেখক: চাইল্ড কেয়ার, ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড এডুকেশন কনসালট্যান্ট ইউনিসেফ
dipumahmud1971@gmail.com