বুধবার, জুলাই ১৮, ২০১৮

শিরোনাম >>

শ্রীমঙ্গলে দুর্লভ উড়ন্ত কাঠবিড়ালি উদ্ধার

মানচিত্র ডেস্ক   |   বুধবার, ১৮ জুলাই ২০১৮ | 1415 বার পঠিত | প্রিন্ট

ছবি- সংগৃহীত

দুর্লভ এই উড়ন্ত কাঠবিড়ালিটিকে বুধবার সকালে বাংলাদেশ বন্য প্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে নিয়ে আসেন পরিচালক সজল দেব। তিনি জানান, গত ১৪ জুলাই কাজল হাজরা নামে এক সৌখিন আলোকচিত্রী বনের চা-বাগানে অসুস্থ অবস্থায় কাঠবিড়ালিটিকে পড়ে থাকতে দেখে তার বাড়ি নিয়ে যান। তারপর সুস্থ করে তোলেন। বুধবার প্রাণীটিকে বন্য প্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কাজল হাজরা সাংবাদিকদের জানান, ‘শখের বসে ছবি তুলতে প্রায়ই ক্যামেরা নিয়ে বনে-বাদারে ঘুরে বেড়ান তিনি। গত ১৪ জুলাই রাস্তার পাশের চা-বাগানে এই কাঠবিড়ালির বাচ্চাটিকে দেখতে পাই। স্পর্শ করে বুঝতে পারলাম এটি অসুস্থ। সেখান থেকে কাঠবিড়ালিটিকে বাড়িতে এনে দুধ, পানি, কলা খাইয়ে কয়েক দিনে কিছুটা সুস্থ করে তুলি’।

বাংলাদেশ বন্য প্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক সজল দেব বলেন, এটি কাঠবিড়ালী প্রজাতির মধ্যে দুর্লভ। এর ইংরেজি নাম ‘পার্টিকালারড ফ্লাইং স্কুইরেল’ বা বিচিত্রা উড়ন্ত কাঠবিড়ালি। মাথাসহ এদের দেহের দৈর্ঘ্য ২৫ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার আর লেজ ২৫ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে।

সজল দেব জানান, উড়ন্ত কাঠবিড়ালি নিশাচর ও বৃক্ষবাসী প্রাণী। মাটিতে তেমন পা ফেলে না। এক গাছ থেকে অন্য গাছে ১৫০ থেকে ২০০ ফুট দূরত্বে এরা উড়তে পারে। গাছের শিকড়, কুঁড়ি পাতা, পিপঁড়ের ডিম ইত্যাদি খেয়ে বেঁচে থাকে। উড়ার সময় লেজটাকে তারা লাগাম হিসেবে ব্যবহার করে। উড়ন্ত কাঠবিড়ালি সাধারণত ১০ থেকে ১২ বছর পর্যন্ত বেঁছে থাকে। তবে বিপন্ন বন্য পরিবেশ ও খাদ্যসংকটের কারণে এদের গড় আয়ু এখন অর্ধেকে নেমে এসেছে।

সিলেট ও চট্টগ্রামের বনাঞ্চলে এদের বেশি দেখা যায়’। তিনি জানান, উদ্ধারকৃত প্রাণীটি এখনো বেশ অসুস্থ। সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করছি। সুস্থ হলে এটিকে অবমুক্ত করা হবে।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ২:৫৮ পিএম | বুধবার, ১৮ জুলাই ২০১৮

manchitronews.com |

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

A H Russel Chief Editor
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়

5095 Buford Hwy, Suite H Doraville, Ga 30340

E-mail: editor@manchitronews.com