• শিরোনাম

    ম্যারাডোনাকে নিয়ে সেই ম্যাচের রেফারি আলি বিন নাসের যা বললেন

    মানচিত্র ডেস্ক | ২৯ নভেম্বর ২০২০ | ১:৩৭ অপরাহ্ণ

    ম্যারাডোনাকে নিয়ে সেই ম্যাচের রেফারি আলি বিন নাসের যা বললেন

    ছবি-সংগৃহীত

    ম্যারাডোনার সঙ্গে ইতিহাসে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে ১৯৮৬ বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচটিও। ওই ম্যাচে ম্যারাডোনার দুটি গোলই অবিস্মরণীয় হয়ে আছে। একটি ‘হ্যান্ড অব গড’-এর গোল, যা নিয়ে এখনও বিতর্ক চলে, এর চার মিনিট পরই ম্যারাডোনার পা থেকে আসে ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’। সেই ম্যাচের রেফারি আলি বিন নাসেরও জায়গা পেয়েছেন ইতিহাসের পাতায়।

    তাই তো ম্যারাডোনার মৃত্যুর পর তিউনেসিয়ান এ রেফারিরও সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। বিবিসিকে নাসের বলেছেন, ঐতিহাসিক সেই ম্যাচটি পরিচালনা করতে পেরে তিনি ‘গর্বিত ও সম্মানিত’। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্যারাডোনার ‘কুখ্যাত’ ও ‘বিখ্যাত’ দুটি গোল নিয়েই বিস্তারিতভাবে নিজের মনোভাব প্রকাশ করেছেন রেফারি নাসের। ৭৬ বছর বয়সি এ রেফারি বলেছেন, প্রথম গোলটি (হ্যান্ড অব গড) দেওয়া ছাড়া তার সামনে আর কোনো পথ খোলা ছিল না।

    বিতর্কিত সেই গোলটির স্মৃতি স্মরণ করে নাসের বলেন, ‘আমার স্পষ্ট মনে আছে, ইংলিশ ডিফেন্ডার বল পেয়ে পেছনে দিয়েছিল। ম্যারাডোনা ও শিলটন শূন্যে ছিল এবং তাদের দু’জনেরই পিঠ আমার দিকে ছিল। আমার সহকারী রেফারি বোগদান দোচেভের দিকে ছিল তাদের মুখ। প্রথমে আমি দ্বিধায় ছিলাম (গোলের পর)। আমি দোচেভের দিকে তাকাই। সে মাঠের মাঝামাঝি ছুটে যায়, গোল নিশ্চিত করে। সে হ্যান্ডবলের সংকেত দেয়নি। ম্যাচের আগে ফিফা স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছিল যে, কোনো সহকর্মী যদি আমার চেয়ে ভালো অবস্থানে থাকে তাহলে তার মতামতকে সম্মান জানাতে।’

    যদিও দোচেভের অভিমত, ইউরোপের কোনো রেফারি হলে সেটা গোল দিত না। কিন্তু নাসের তার সিদ্ধান্তে এখনও অটল, ‘ফিফার গাইডলাইন অনুযায়ী সেটা শতভাগ গোল ছিল।’

    দ্বিতীয় গোলের বর্ণনা দিতে গিয়ে ম্যারাডোনার শ্রেষ্ঠত্ব ফুটিয়ে তোলেন নাসের, ‘সে (ম্যারাডোনা) মিডফিল্ড থেকে বল নিয়ে দৌড় শুরু করেছিল, আর আমি তার পেছন পেছন ছুটছিলাম। ম্যারাডোনার মতো কাউকে রেফারিং করার সময় তার ওপর থেকে চোখ সরানো যায় না। ইংলিশরা তাকে তিনবার ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সে দুরন্তগতিতে সামনে এগিয়ে যাচ্ছিল। বক্সের বাইরে থেকে আমি অবাক হয়ে দেখছিলাম কীভাবে সে তিন ডিফেন্ডারকে কাটাল! প্রায় ৫০ মিটার দৌড়েছিল। ভাবছিলাম তাকে ফেলে দেওয়া হবে, এমনকি পেনাল্টির বাঁশি বাজাতেও আমি প্রস্তুত ছিলাম।’

    কিন্তু নাসেরকে অবাক করে দিয়ে গোলরক্ষককেও কাটিয়ে ইংল্যান্ডের জালে বল ঠেলে দিয়েছিলেন ম্যারাডোনা। তিনি আরও যোগ করেন, ‘ম্যারাডোনার সেই ঐতিহাসিক অর্জনের সঙ্গে আমিও জড়িত। রেফারি হিসেবে আমি গর্বিত ও সম্মানিত।’ ২০১৫ সালে নাসেরের সঙ্গে দেখা করতে তিউনিসিয়ায় গিয়েছিলেন ম্যারাডোনা। স্বাক্ষর করা একটি জার্সিও উপহার দিয়েছিলেন তাকে, যেখানে লিখেছিলেন, ‘আমার চিরদিনের বন্ধু আলিকে।’

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    বার্সায় ফিরছেন নেইমার!

    ২৭ নভেম্বর ২০১৯

    খেলতে পারবেন না মেসি!

    ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

    আর্কাইভ

    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
  • ফেসবুকে আমরা

  • You cannot copy content of this page