• শিরোনাম

    তালাক প্রসঙ্গে মুখ খুললেন শাবনূর

    মানচিত্র ডেস্ক | ০৪ মার্চ ২০২০ | ২:২৭ অপরাহ্ণ

    তালাক প্রসঙ্গে মুখ খুললেন শাবনূর

    স্বামী অনিক মাহমুদ হৃদয়কে তালাকের নোটিশ পাঠিয়েছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর। চলতি বছর ২৬ জানুয়ারি তিনি ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন-এর ৭ (১) ধারামতে স্বামীকে তালাক দিয়েছেন। অ্যাডভোকেট কাওসার আহমেদের মাধ্যমে তালাকের নোটিশটি পাঠিয়েছেন শাবনূর।

    শাবনূর বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় আছেন। বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে শাবনূর বলেন, ‘কয়েক বছর ধরেই আমাদের মধ্যে বনিবনা হচ্ছে না। সন্তান (ছেলে আইজান নিহান) জন্মের পর থেকেই আমাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। এরপর থেকে আমরা আলাদা থাকছি। ভেবেছিলাম, একটা সময় সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু কিছুই ঠিক হয়নি। বরং আরও খারাপের দিকে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে আমাকের এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় সাতটা বছর সব নীরবে সহ্য করেছি। মুসলিম মেয়ে, চেয়েছি সংসারটা আগলে রাখবো, পারিনি। বেশ কয়েকবার বিষয়টি মিটমাট করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। এভাবে থাকার চেয়ে আলাদা থাকা অনেক ভালো। তাই আইনজীবীর মাধ্যমে ২৬ জানুয়ারি অনীকের বাসায় তালাক নোটিশ পাঠিয়েছি।’

    ক্ষোভ প্রকাশ করে শাবনূর আরও বলেন, ‘যে বাবা ছেলের জন্মের পর থেকে আলাদা থাকছে এবং অন্য মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়েছে, তার সঙ্গে থাকা সম্ভব না।’

    এদিকে, স্বামীর বিরুদ্ধে শাবনূরের অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে একাধিকবার অনিক মাহমুদকে ফোন করা হলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। গত ২৬ জানুয়ারি শাবনূরের পাঠানো তালাকের নোটিশটির অনুলিপি অনিকের এলাকার আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান এবং কাজী অফিস বরাবরও পাঠানো হয়েছে। নোটিশে সাক্ষী রয়েছেন মো. নুরুল ইসলাম ও শামীম আহম্মদ নামে দুজন।

    শাবনূর তার নোটিশে উল্লেখ করেছেন, ‘আমার স্বামী অনিক মাহমুদ হৃদয়, আমার এবং সন্তানের যথাযথ যতœ ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন না। সে মাদকাসক্ত। অনেকবার মধ্যরাতে মদ্যপ অবস্থায় বাসায় এসে আমার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছে। আমাদের ছেলের জন্মের পর থেকে সে আমার কাছ থেকে দূরে সরে থাকছে এবং অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আলাদা বসবাস করছে।’

    নোটিশে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘একজন মুসলিম স্ত্রীর সঙ্গে তার স্বামী যে ব্যবহার করেন অনিক সেটা করছেন না, উল্টো নানাভাবে আমাকে নির্যাতন করেন। এসব থেকে তাকে ফেরানো যাচ্ছে না। বরং ওর নির্যাতন আরও বাড়তে থাকে। উপরোক্ত কারণগুলোর জন্য মনে হয়েছে তার সঙ্গে আমার আর বসবাস করা সম্ভব নয় এবং আমি কখনো সুখী হতে পারব না।

    তাই নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং সুন্দর জীবনের জন্য তার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছেদ করতে চাই। মুসলিম আইন এবং শরিয়ত মোতাবেক আমি তাকে তালাক দিতে চাই। আজ থেকে সে আমার বৈধ স্বামী নয়, আমিও তার বৈধ স্ত্রী নই।’

    উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন শাবনূর। স্বামী যশোরের ছেলে অনিক মাহমুদ কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং পেশায় ব্যবসায়ী। বিয়ের পরের বছরই এ দম্পতির ঘর আলোকিত করে আসে এক পুত্রসন্তান। ছেলে আইজান নিহানকে নিয়েই শাবনূর এখন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ভিপি নুরের বিলাসী জীবন!

    ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯

    আর্কাইভ

    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০  
  • ফেসবুকে আমরা