• শিরোনাম

    করোনার দ্বিতীয় ধাপঃ হেলাফেলার সুযোগ নেই!

    লেখক- নুরুল হক , কুইন্স, নিউ ইয়র্ক। | ২১ নভেম্বর ২০২০ | ২:০২ অপরাহ্ণ

    করোনার দ্বিতীয় ধাপঃ হেলাফেলার সুযোগ নেই!

    প্রতীকি ছবি

    দেশে ও প্রবাসে করোনার দ্বিতীয় ধাপ হু হু করে বাড়ছে। নিউ ইয়্রকের বাংলাদেশ ক্ম্যুনিটির নেত্রীস্থানী্য় ব্যক্তিরাও আক্রান্ত! টীকা আসছে এই সংবাদ শুনে যেন কোভিড-১৯ মরণ কামড় বাড়িয়ে দিচ্ছে! সেই কামড়ে আমাদের কম্যুনিটির সেলিব্রিটি ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরাই আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি!

    কিন্তু কেন? উত্তর খুব সহজ। তারা সতর্কতা অবলম্বন করেন নি? কিছুদিন আগেও তারা সভা-সমিতির মিটিং, বার-বি-কিউ পার্টি, পিকনিক এমনকি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মেতেছিলেন! ফলে যা হবার, তাই হচ্ছে।

    করোনার কাছে কোন ধনী-গরীব, ছোট-বড় বা হাইপ্রোফাইল-লোপ্রোফাইল বলে কিছু নেই। অসাবধান হলেই বিপদ। সাবধানে থেকেছেন এমন কারো কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা একেবারেই নেই। যে কোন ঘটনার পিছনেই কোন না কোনভাবে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই সাবধানতার কোন বিকল্প নেই। এই মুহূর্তে শুধু মাস্ক পরাই বড় সাবধানতা। সকলের সচেতনতার জন্য দুটি ঘটনা উল্লেখ করতে চাই।

    একঃ সম্প্রতি খবরে প্রকাশ, একটি প্রবাসী বাংলাদেশি পারিবারিক অনুষ্ঠানে বেড়াতে আসা ৪ বছরের একটি অসুস্থ শিশু থেকে ওই অনুষ্ঠানে আগত ৪০ জন কোভিড ১৯ – এ আক্রান্ত হয়ে এখন বিভিন্ন হাসপাতালে ও আইসোলেশনে আছেন!

    দুইঃ কুইন্সের জামাইকার একটি বাংলাদেশি বাড়িতে বাফেলো থেকে বেড়াতে আসা একটি পরিবারের মাধ্যমে ওই বাসার প্রায় ১৫ জন আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাফেলো থেকে বেড়াতে আসা ঐ পরিবারটি ইতিপূর্বে হিলসাইড এলাকার অপর একটি পরিবারও ভিজিট করে এসেছেন। অতএব, এই সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, এটি আমার পিছনের ব্লকের ঘটনা। যারা আক্রান্ত হয়েছেন (নামোল্লেখ করলাম না), তাঁদের আশু আরোগ্য কামনা করি।

    আসুন সবাই মাস্ক পড়ি, প্রয়োজনে দুটি মাস্ক পড়ি এবং বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে না যাই। জরুরী প্রয়োজনে পরিবারের সবচেয়ে সুস্থ ব্যক্তিকে বাইরে পাঠাই এবং পরিবারের বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, অসুস্থ ও অপ্রাপ্ত বয়স্কদেরকে বাইরে না পাঠাই। নিজে সুস্থ থাকুন এবং অপরকেও সুস্থ রাখুন।

    সতর্কতাঃ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও প্রার্থনার (যে যেই ধর্মেরই হোন) মাধ্যমে কোভিড-১৯ থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব। ভয় পাবেন না, ঘাবড়াবেন না, ব্যালান্সড ডায়েট খান, প্রচুর ভিটামিন সি, ডি, জিঙ্ক ও প্রোটিন যুক্ত খাবার খান। পাশাপাশি ঘুম বা বিশ্রাম বাড়িয়ে দিন।

    অযথা প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার কিনে স্টক করবেন না। কেননা আমেরিকায় খাদ্য সংকট হবার কোন সম্ভাবনা নেই। বরং আপনার আত্মীয় ও পড়শীর জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। সবার জন্য শুভ কামনা।

    লেখক- নুরুল হক , কুইন্স, নিউ ইয়র্ক।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ভিপি নুরের বিলাসী জীবন!

    ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯

    আর্কাইভ

    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আমরা