• শিরোনাম

    একজনের ‘খেয়াল খুশি মতো’ চলছে জর্জিয়া আওয়ামীলীগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ২০ ডিসেম্বর ২০২০ | ১:৫৫ অপরাহ্ণ

    একজনের ‘খেয়াল খুশি মতো’ চলছে জর্জিয়া আওয়ামীলীগ

    প্রতীকি ছবি

    জর্জিয়া আওয়ামীলীগের বেহাল দশা। নেই কোনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি। নেই কোনো ঐক্যবদ্ধ প্রোগ্রাম। বেশ কিছুদিন ধরে জর্জিয়া আওয়ামীলীগে এমন অচলাবস্থা চলে এলেও সবাই যে যার মতো চলছেন। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অভিযোগ একজনের ‘খেয়াল খুশি মতো’ চলছে জর্জিয়া আওয়ামীলীগ। অনেকটা লাইফসাপোর্টে রয়েছে জর্জিয়া আওয়ামী লীগ।

    জানা গেছে, গত বছর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ এইচ রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ রহমানের নেতৃত্বে পাল্টাপাল্টি দু’টি প্রোগ্রাম হলেও এ বছর কোনো কর্মসূচি নেই। ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ৫ সদস্যের একটি কমিটি করে দিয়েছিলেন।

    সভাপতি হুমাউন কবির কাউসার এবং সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ রহমান আজ অবধি যৌথ ভাবে গ্রহণযোগ্য কোনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি উপহার দিতে পারেনি। এ জন্য দায়ি করা হয় সাধারণ সম্পাদককে। কারণ তিনি সভাপতি হুমাউন কবির কাউসারকে কমিটি করার বিষয়ে কোনো সহায়তা করেননি বলে অভিযোগ।

    তাদের সাথে সম্পর্ক ছিল শাপে নেউলে। তবে প্রায় দুই বছর সভাপতি বাংলাদেশে অবস্থান করায় এখন নতুন ফর্মুলা ভার্চুয়াল সভায় দুই জনের নাম দেখা যায়। পাঁচ জনের মধ্যে জর্জিয়ার তিন জনের সাথে এ এইচ রাসেল ,সৈয়দ মুরাদ ও নুরুল তালুকদারকে দলীয় যে কোনো বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক কোনো পরামর্শ বা যোগাযোগ রাখেন না। জর্জিয়ার বর্ষীয়ান সাবেক নেতৃবৃন্দ মনে করেন সাধারণ সম্পাদকের ইচ্ছা মত দল পরিচালনার কারণে আজ জর্জিয়া আওয়ামীলীগ মৃত প্রায়। তার চরম ব্যর্থতা সর্বজন গ্রহণযোগ্য একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি উপহার দিতে না পারা।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাবেক তিন সভাপতি বলেন, জর্জিয়া আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ডাঃ মুহাম্মদ আলী মানিকের বানানো কমিটির সাথে সাধারণ সম্পাদক কোন সহায়তা না করে উল্টো তার বিরোধিতা করে বাদ দিয়ে দেয়। কিন্তু কেন তার এত বিরোধিতা ?

    জর্জিয়া আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সাবেক এক ছাত্রনেতা নাম প্রকাশ না করে বলেন, তিনি সব সময় দলকে নিজের মত করে চালাতে চায়। সর্বত্র নিজের মানুষ দেখতে চায় আর এখানেই সমস্যা। এভাবে একটি গ্রূপ চলতে পারে দল নয়। তিনি ্আরো যোগ করে বলেন,  দেখা যায় তার অনুগত আর বাধ্যগত হলেই তার কমিটির নামের তালিকায় উপরের দিকে নাম থাকে। কিন্ত তিনি বোঝেন না কার কতটুক সাংগঠনিক যোগ্যতা! ব্যবসায়িক সম্পর্ক বা ব্যক্তিগত প্রলোভন আর রাজনৈতিক বিচক্ষণতা এক নয়। অনেকেই মনে করেন তিনি কাউকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মানতে চান না।

    এজন্যই ত্যাগী নেতা কর্মীরা আজ দূরে চলে গেছে। দল চালাতে দলের নিয়ম বুঝতে হবে অনেক বিষয়ে সাংগঠিনিক হতে হবে। জর্জিয়া আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতা কর্মীদের দাবি যোগ্য নেতৃত্ব না এলে এভাবেই লাইফ সাপোর্টে চলবে জর্জিয়া আওয়ামীলীগ।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
  • ফেসবুকে আমরা

  • You cannot copy content of this page