আজ শুক্রবার | ১৭ আগস্ট২০১৮ | ২ ভাদ্র১৪২৫
মেনু

মাহমুদ -রাসেল পরিষদে ভোট দিন ।। একান্ত সাক্ষাৎকারে – সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এ এইচ রাসেল

বিশেষ প্রতিনিধি : | ১১ আগ ২০১৮ | ৬:৫০ অপরাহ্ণ

মানচিত্র নিউজ : আটলান্টা প্রবাসী বাংলাদেশিদের সর্ব বৃহৎ প্রিয় সংগঠন জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতি । এই সংগঠনের নির্বাচন কাল। এই নির্বাচনকে ঘিরে পুরো আটলান্টা জুড়ে নির্বাচনী উত্তাপ। প্রার্থীদের চোখে নেই ঘুম। সারাদিন চষে বেড়াচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। স্যোশাল মিডিয়াতেও সরব সবাই। ভোটারদের চোখ এখন সৎ ,একনিষ্ঠ যোগ্য প্রার্থীদের ওপর। এমনই এক প্রার্থী এ এইচ রাসেল। মাহমুদ-রাসেল প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী তিনি। একাধারে মানচিত্র নিউজ ডট কমের প্রকাশক ও সম্পাদক। প্রবাস জীবনে দীর্ঘদিন তিনি কাজ করে গেছেন মানুষের জন্য।

আসন্ন নির্বাচনে এবার এই বিশিষ্ট সংগঠক কেন নির্বাচনে এসেছেন, নির্বাচনে জয়লাভ করলে প্রবাসী বাঙালীদের অধিকার আদাযে কিভাবে কাজ করবেন-এমন নানা মানচিত্রের পাঠক ও ভোটারদের মাঝে তুলে ধরেছেন।

এএইচ রাসেল বলেন, এক টানা ২০ বছর তিনি জর্জিয়া প্রবাসী হয়ে জর্জিয়ায় বসবাস করে আসছেন, কোনো স্বার্থ তাকে এক দিনের জন্যও এই শহর ছেড়ে অন্য কোথায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতে মনে সায় দেয়নি। জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতি তার প্রাণের সংগঠন। ২০০০ সালে এই সংগঠনের কার্যকরী কমিটির সদস্য পদে নির্বাচিত হয়ে কমিউনিটির সেবায় তার যাত্রা শুরু। এরপর থেকে একজন ক্ষুদ্র সংবাদ কর্মী হিসেবে কমিউনিটির ভালো মন্দ সংবাদ পরিবেশন করে কমিউনিটির পাশে থেকেছেন ছায়া হয়ে। ২০০৮ ও ২০১১ সালের জর্জিয়া সমিতির নির্বাচনে সর্ব কনিষ্ঠ একজন নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেছেন নিষ্ঠার সাথে।

তবে তার মতে আজও জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতি তার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। এ প্রসঙ্গে তিনি তার ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন সবার আগে সমাজের জন্য, মানুষের জন্য কাজ করার প্রবল ইচ্ছা থাকতে হবে। আর কাজ করতে গেলে প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধ হওয়া। এরপর সাংগঠনিকভাবে এগিয়ে যাওয়া। ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করলে পূর্ণতা আসে। আর যে কোন সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঐক্যবদ্ধ থাকলে সংগঠনের ভিত মজবুত করে। সদিচ্ছাই একটি সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে কাঙ্খিত লক্ষ্যে ।

তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে তাদের (মাহমুদ-রাসেল) পরিষদ নির্বাচিত হলে প্রথমেই এই সংগঠনটিকে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে অফিসিয়াললি একটি ভিতের উপর দাঁড় করানো হবে। তিনি মনে করেন এই সংগঠনটি যে পর্যায়ে থাকা উচিত ছিল আজ সেখানে নেই , জর্জিয়া সমিতির অনেক কাজ রয়েছে যে কাজের ট্রেন একবার চালু করলে আপন গতিতে চলতে থাকবে ।

নীতি-নৈতিকতার প্রশ্নে আপোষ নয় এমন মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা না থাকলে সংগঠনের উন্নতি আশা করা যায়না, সৎ ভাবে সমিতির টাকা পয়সা খরচ না করলে, আয় ব্যয়ের হিসেবে গরমিল থাকলে যে কোন সংগঠন সামনের দিকে না এগিয়ে পেছনের দিকেই চলে যাবে। এই বিষয়গুলি সৎ ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করলে তখন প্রবাসীদের আস্থা, ভালোবাসা ফিয়ে আসবে সংগঠনটির প্রতি। প্রবাসীরা নিজ ইচ্ছায় তখন বাৎসরিক ফি দিয়ে গর্বের সাথে সমিতির সদস্য হয়ে থাকবে।

মাহমুদ-রাসেল পরিষদকে নির্বাচিত করলে এক নতুন দিগন্ত উম্মোচিত হবে বলে এএইচ রাসেল বলেন , আমি ও আমার পরিষদ পরিবর্তনের শ্লোগানে উজ্জীবিত হয়ে নির্বাচনে এসেছি। আমার সাথে রয়েছেন সভাপতি প্রার্থী মোস্তফা কামাল মাহমুদ যিনি একজন সৎ ও সফল ব্যবসায়ী যাকে নিয়ে এই সংগঠনটিকে যুগোপোযুগী করা সম্বব। এছাড়া পরিষদে রয়েছে একদল উদ্যোমী কর্মকর্তা যারা পরিবর্তনের এই যাত্রায় এসেছেন সামিল হতে।

তিনি আরও বলেন, এই কমিউনিটির সাথে রয়েছে আমার আত্মার সম্পর্ক, নির্বাচনে ফলাফল যাই হোক আমি সবার মাঝে হয়তো থাকবো সাংবাদিক হয়ে নয়তো আর্তমানবতার সফল সংগঠন “মানচিত্র ফাউন্ডেশন ” কে নিয়ে। তবে আমার বিশ্বাস এবারের নির্বাচনে ভোটাররা ভুল করবেন না সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের তারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন। তাদের সুচিন্তিত মতামতের উপর নির্ভর করবে জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতির ভাগ্য। সম্মানিত ভোটারদের আস্থা ও বিশ্বস্ততার পরিষদ মাহমুদ-রাসেল পরিষদ।

পরিশেষে ভোটারদের কাছে মাহমুদ-রাসেল পরিষদে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি একটিবার জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতির পক্ষ থেকে প্রবাসী বাঙালীদের অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করার সুযোগ চান।

Comments

comments

x