আজ সোমবার | ১৮ জুন২০১৮ | ৪ আষাঢ়১৪২৫
মেনু

জর্জিয়া আ’লীগের সভাপতি হুমায়ুন কবির কাউসার, সাধারণ সম্পাদক মাহামুদ রহমান

মানচিত্র নিউজ | ১২ মার্চ ২০১৮ | ৩:৩০ অপরাহ্ণ

বিশেষ প্রতিনিধি :বহু প্রত্যাশিত জর্জিয়া আওয়ামী লীগের ২০১৮-২০২০ বর্ষের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অবশেষে গতকাল রোববার ১১ মার্চ  সমাপ্ত হয়েছে অনেক নাটকীয়তার  পর । সভাপতি হয়েছেন বিদায়ী কমিটির সাবেক সহ সভাপতি  হুমায়ুন কবির কাওসার। আবারো সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন এবারের সভাপতি প্রার্থীদের একজন মাহামুদ রহমান। চার জন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন তারা হলেন সাবেক সহ সভাপতি শেখ জামাল , সাবেক যুগ্ম সম্পাদক যথাক্রমে এ এইচ রাসেল , সৈয়দ মুরাদ , সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম নাহিদ তারা কেউই এই পদটি পাননি।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ  সভাপতি সাধারণ সম্পাদক ছাড়া আরো তিনটি পদ ঘোষণা করেছেন তারা হচ্ছেন সহ-সভাপতি এ এইচ রাসেল , সৈয়দ মুরাদ ও যুগ্ম সম্পাদক নুরুল ইসলাম নাহিদ।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ কর্তৃক ঘোষিত কোয়ালিটি ইন বলরুম সম্মেলন স্থান ছাড়াও একটি গ্রূপ স্থানীয়  জে  ছি ইভেন্ট হলে আরো একটি সম্মেলন স্থান আয়োজন করেছিল।যুক্তরাষ্ট্র  আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ কোয়ালিটি ইন এ  উপস্থিত হয়ে সম্মেলনের প্রথম পর্ব সমাপ্ত শেষে বিদ্যমান কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করে পরের সম্মেলন স্থানে উপস্থিত হয়ে কোন সিদ্ধান্ত ছাড়াই  সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন এবং তারা অবশেষে গভীর রাতে গ্লোবাল মল সংলগ্ন হ্যাম্পটন ইন হোটেলে লবিতে সর্বমোট নতুন কমিটির সর্বমোট পাঁচটি পদ ঘোষণা করেন এবং নব নির্বাচিত নেত্রি বৃন্দদেরকে অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন ।

সাধারণ সম্পাদক পদে কেন নতুন মুখ এলোনা এ নিয়ে তাৎক্ষণিক ক্ষোভে ফেটে পড়েন কয়েকজন প্রার্থী এবং তাদের সমর্থকরা । ফলশ্রুতিতে  কিছুটা বিসৃঙ্খলা তৈরী হওয়ায় হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশ কল দিলে সকলে স্থান ত্যাগ করেন।

সম্মেলনে নতুন মেম্বার করার ঘোষণা থাকলেও তারা ভোট দিতে পারবে কিনা এ নিয়ে ছিল না কোনো স্পষ্ট ঘোষণা । কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ সভাপতি যখন ঘোষণা দেন নতুন মেম্বাররা ভোট দিতে পারবেন তখন অনেকেই তার এই সিদ্ধান্তে একমত হননি । অতঃপর তাকে দায়িত্ব দেয়া হয় তার সুচিন্তিত সিদ্ধান্তে কমিটি ঘোষণা করার, তাই তিনি যা করার তাই করেছেন ।তার সুচিন্তিত মতামতে স্থান পায়নি কোনো ত্যাগী নেতা কিংবা পরিপূর্ণ নতুন নেতৃত্ব। তবে জর্জিয়ার স্থানীয় নেতা কর্মীরা যেমন এক হতে পারেননি গুরুত্বপূর্ণ পদে সমঝোতা করতে তাই তিনি যে নেতৃত্ব উপহার দিয়ে গেছেন তাদেরকে সবার মেনে নিতেই হবে । এবার নিশ্চই ভবিষ্যৎ বলে দেবে  জর্জিয়া আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্দ থাকবে নাকি বিভক্তি থেকে যাবে ।

Comments

comments

x