আজ শনিবার | ২৪ ফেব্রুয়ারি২০১৮ | ১২ ফাল্গুন১৪২৪
মেনু

রায় ঘোষণার পূর্বে নিউইয়র্ক, জর্জিয়া আওয়ামীলীগের অবস্থান

মানচিত্র | ০৮ ফেব্রু ২০১৮ | ৬:৫৩ অপরাহ্ণ

মানচিত্র নিউজ : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার ৫ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ঘোষিত হল। শারীরিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে তাঁকে এই দণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এ মামলার অপর আসামি তাঁর বড় ছেলে তারেক রহমান-সহ বাকি পাঁচ জনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকারও বেশি জরিমানাও ধার্য হয়েছে।

বিচারক জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে ৪০৯ ও ১০৯ ধারার অপরাধ প্রমাণ হয়েছে। ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো.আখতারুজ্জামান দুপুর ২টা ২৯ মিনিটে এ রায় দেন।এর আগে বেলা সোয়া ২টার দিকে আদালতে হাজির হন খালেদা জিয়া। এ সময় তাঁর সঙ্গে বিএনপি’র শীর্ষস্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। রায় শোনার পর আদালতে উপস্থিত খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা হট্টগোল শুরু করেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় কুয়েত থেকে এতিমদের জন্য পাঠানো দুই কোটি ১০ লক্ষ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি করে দুদক। ওই বছরই ৪ জুলাই মামলাটি গ্রহণ করে আদালত। তদন্ত শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ ২০০৯ সালের ৫ অগস্ট বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া এবং তাঁর বড় ছেলে তারেক রহমান-সহ মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেন।

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন, মাগুরার প্রাক্তন এমপি কাজি সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রাক্তন মুখ্যসচিব কামালউদ্দিন সিদ্দিকি এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান। মামলার ৬ আসামির মধ্যে খালেদা জিয়া জামিনে রয়েছেন। মাগুরার প্রাক্তন সাংসদ কাজি সালিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ কারাগারে রয়েছেন। আর তারেক রহমান, প্রাক্তন মুখ্য সচিব কামালউদ্দিন সিদ্দিকি, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান পলাতক।

এদিকে রায় ঘোষণার আগে যুক্তরাষ্টের ভিবিন্ন শহরে গত কাল রাতে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মী গণ রায় শোনার জন্য দলবদ্ধ ভাবে একত্রিত হন। নিউয়র্কের পালকি পার্টি সেন্টারে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হন রায়ের শেষে জনাব সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘আইনের শাসনের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের দৃঢ় অঙ্গিকারের আরেকটি পর্ব অতিবাহিত হলো। এ রায়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার নিরপেক্ষতারই স্পষ্ট প্রকাশ ঘটলো।’ ‘কেউই আইনের উর্দ্ধে নন-অপরাধ করে কেউই রেহাই পাবে না’-বর্তমান সরকারের সে নীতির প্রতি প্রবাসীদেরও পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। এই বিজয়োল্লাসে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, মহানগর আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা ছিলেন।

জর্জিয়ায় স্থানীয় মনসুন মাসালা রেস্তোরায় জর্জিয়া আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ মাহমুদ রহমানের নেতৃত্বে উপস্থিত হন। তারা অভিযুক্তদের যথাপোযুক্ত রায় আশা প্রকাশ করেন। জর্জিয়া আওয়ামীলীগের ও যুবলীগের নেতা কর্মীদের মধ্যে ছিলেন সলিমুল্লাহ সলি ,মাহমুদ রহমান ,এইচ রাসেল ,রেজা করিম ,নজরুল ইসলাম ,মোহাম্মদ জামান ,ফরহাদ হোসেন ,হাসান চৌধুরী সোহেল ,সাদমান সুমন,মাহফুজুল হক ,মাহবুব আলম সাগর ,তোফায়েল আহমেদ তপু ,সাজ্জাদ হোসেন পায়েল ,আরিফ আহমেদ ,পলাশ আহমেদ ,সিরাজুল ইসলাম সিজু ,সোহরাব হোসেন প্রমুখ।

Comments

comments

এই বিভাগের আরও খবর
x