আজ রবিবার | ২০ মে২০১৮ | ৬ জ্যৈষ্ঠ১৪২৫
মেনু

নিয়মিত হলুদ খেলে বাড়বে স্মৃতিশক্তি

মানচিত্র স্বাস্থ্য ডেস্ক | ৩০ জানু ২০১৮ | ২:৪২ অপরাহ্ণ

প্রতীকি ছবি

রান্নাঘরে মশলা হিসেবে হলুদের জনপ্রিয়তা রয়েছে। সে চিকেন চাপ হোক আর মুড়িঘণ্ট। হলুদের বদান্যতায় বদলে যায় প্রিয় ডিসের রং। লোভনীয় স্বাদের সঙ্গে দেখনদারির ব্যাপারটাও তো রয়েছে। খাবার সামনে আসলে প্রথমে রং দেখেই তো আমরা ঠিক করি খাব কিনা। তারপর আসে স্বাদের প্রসঙ্গ।

তাই হলুদের সর্বজনগ্রাহ্যতা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। শুধু রঙের কথাই বা বলি কী করে?  আপনি কি ভুলে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন ? তাহলে নিয়মিত হলুদ খান। শুধু রান্নায় ব্যবহার করলেই হবে না। নিয়ম করে হলুদগুঁড়ো খান।

তাহলে নিজেই বুঝতে পারবেন কতটা উন্নতি করছেন। শুধু স্মৃতি ফিরবে এমন নয়। গবেষণা বলছে, নিয়মিত হলুদ খেলে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে।

বাড়িতে প্রবীণরা ভুলে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন। কোনও একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস তাঁকে রাখতে দিলেন। ঘণ্টাদুয়েক বাদে চেয়ে দেখুন। কিছুতেই মনে করে বলতে পারছেন না, কোথায় রেখেছেন।

এই অবস্থায় খুব করে বকাবকি করলেন। তাতে কিন্তু কোনও সুরাহা হল না। আপনার থেকে বকা খেয়ে তিনি মনে মনে আহত হলেন। আর রাগ পড়লে আপনিও বকাবকির কারণে দুঃখ পেলেন।

অস্বস্তি এড়াতে হলুদ খাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন। একদিনেই ফল পাবেন না। নিয়মিত বেশ কিছুদিন হলুদ খাওয়ান। তারপর গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিয়ে পরীক্ষা করুন। দেখুন সময়মতো চাইলে পাচ্ছেন কিনা। যদি পান তাহলে ভাববেন কাজ হয়েছে।

ভুলে যাওয়ার জন্য তাঁর মনেও চাপ পড়ে। সেই থেকে অবসাদ গ্রাস করতে পারে। হলুদের গুণে দূর হতে পারে এই অবসাদগ্রস্ত পরিস্থিতি।

৫০ থেকে ৯০ বছর বয়সীদের মধ্যে ভুলে যাওয়ার প্রবণতা সবথেকে বেশি। এমনই ৪০ জনের উপরে পরীক্ষাটি চালিয়েছেন গবেষকরা। গবেষণার অঙ্গ হিসেবে এই ৪০জনকে প্রথমে দু’ভাগে ভাগ করা হয়।

২০ জনের প্রত্যেককে নিয়ম করে প্রতিদিন ৯০ মিলিগ্রাম হলুদ খেতে দেওয়া হল। বাকি ২০ জন হলুদ খেলেন না। ১৮মাস টানা চলল এই নিয়ম। তারপর ২০ জনকে ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখা গেল অবসাদ ও স্মৃতি দুর্বলতা সংক্রান্ত সমস্যা অনেকটাই কেটেছে।

এরপরেই অ্যালঝাইমার রোগীদের উপরে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইমতো বেশ কয়েকজন অ্যালঝাইমার রোগীকে চিহ্নিত করা হয়। নিয়মিত ওষুধ খেয়েও ভুলে যাওয়ার রোগ থেকে নিষ্কৃতি পাননি তাঁরা।

এমন লোকজনকেই নিয়ম করে হলুদ খেতে দেওয়া হয়। স্বাভাবিকভাবেই উপকারও পান রোগীরা। দেখা যায়, ওষুধের থেকে অনেক বেশি নিরাপদ হলুদ। কোনওরকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই স্মৃতি খুইয়ে বসা মানুষ ফের মনে করতে পারছেন। দূর হচ্ছে অবসাদ।

অনলাইন

Comments

comments

x