আজ শুক্রবার | ১৫ ডিসেম্বর২০১৭ | ১ পৌষ১৪২৪
মেনু

অবসর নিলেন নিলেন সাঈদ আজমল

মানচিত্র ক্রীড়া ডেস্ক | ৩০ নভে ২০১৭ | ১:১৯ অপরাহ্ণ

ফাইল ছবি- সাঈদ আজমল

ছিটকে পড়ার আগে তিনিই ছিলেন পাকিস্তানের স্পিনের বড় ভরসা। কিন্তু জায়গা তো আর খালি থাকে না। বিশেষ করে পাকিস্তানের ক্রিকেটে প্রতিভার অভাব নেই। সাঈদ আজমলের বয়স এখন ৪০। অনেক চেষ্টা করেও আর জাতীয় দলে ফেরা হলো না। শেষ পর্যন্ত অবহেলা-অন্যায়ের অভিযোগের তীর পাকিস্তান বোর্ডের দিকে ছুড়ে দিয়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে নিলেন এই বোলার।  আজমলের ক্যারিয়ারের শেষটার সাথে জুড়ে থাকলো বাংলাদেশের নাম।

২০১৫ বাংলাদেশ সফরে পাকিস্তান দলের হয়ে শেষ খেলেছেন আন্তর্জাতিক ম্যাচ। ওয়ানডে এবং টি-টুয়েন্টি। শেষ টেস্টটি খেলেছেন তারও ১ বছর আগে। ২০০৯ সালে একটু বেশি বয়সে ক্যারিয়ার শুরু করেও ৩৫ টেস্ট ১৭৮ উইকেট, ১১৩ ওয়ানডেতে ১৮৪টি এবং ৬৪টি টি-টুয়েন্টিতে ৮৫ শিকার নিয়ে ‘বিদায়’ বলে দিলেন কীর্তমান আজমল। ১৪৮ ফার্স্ট ক্লাসে যার শিকার ৫৭৪ উইকেট। বুধবার রাওয়ালপিন্ডিতে খেলে অবসরে চলে গেলেন আজমল হার নিয়ে। ন্যাশনাল টি-টুয়েন্টি সিরিজের সেমি-ফাইনালে এদিন আজমলদের ফয়সালাবাদ হেরে গেছে লাহোরের কাছে। আর ম্যাচের পর খেলোয়াড়রা ব্যাট উচিয়ে দু পাশ থেকে পথ বানিয়ে দিলেন এই প্রতিভাবানের জন্য। গার্ড অব অনার নিয়ে মাঠ ছাড়লেন আজমল।

এরপর অবশ্য প্রেস কনফারেন্সে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) ধন্যবাদ দেওয়ার আগে ধুয়েই দিলেন আজমল। তার অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ নিয়ে আইসিসির সাথে ঠিকমতো কাজ না করে তাকে অসহায়তা করার অভিযোগ আজমলের, যে জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি, ‘আমার ক্যারিয়ারে পিসিবি অনেক সাহায্য করেছে। কিন্তু আমি দুঃখের সাথে এই কথা বলতে বাধ্য হচ্ছি যে আইসিসি আমাকে নিষিদ্ধ করার পর তারা আমার মামলা নিয়ে আইসিসির সাথে ঠিকমতো লড়েনি।’

চোখের পানি আর ধরে রাখতে পারেন না আজমল। বিদায় তো সবসময় কষ্টের। তবু ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত খেলে যাওয়া তো কম লড়াকু চরিত্রের ব্যাপার না। তারপরও মানুষ তো। কষ্ট রয়ে যায় আরেকবার পাকিস্তান দলে ফিরতে না পারার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মাঠ থেকে বিদায় নিতে না পারার।

Comments

comments

x