আজ শুক্রবার | ১৫ ডিসেম্বর২০১৭ | ১ পৌষ১৪২৪
মেনু

যুবলীগ নামধারী একটি গ্রূপের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ

| ২৯ নভে ২০১৭ | ৩:০৮ অপরাহ্ণ

জর্জিয়া যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছিল গত ১২ই নভেম্বর রোববার মনসুন মাসালা রেস্তোরায়। এই যুবলীগকে অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহবায়ক তারিকুল হায়দার ও সদস্য সচিব বাহার খন্দকার সবুজ। এছাড়া অতীতে বিভিন্ন সময়ে আটলান্টা ভ্রমণে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে স্বীকৃতি দিয়ে অনুষ্ঠানে যোগদান করেছেন যুব প্রতি মন্ত্রী আরিফ খান জয় ও এমপি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন। এর পরেও আটলান্টায় যুবলীগ নামে আর একটি গ্রূপ বিভিন্ন প্রোগ্রাম করে চলেছে যা সকলেই জানেন। জর্জিয়া আওয়ামী পরিবারের সুসম্পর্ক বজায় রাখার লক্ষ্যে এই গ্রূপ নিয়ে এতো দিন কেউ তীব্র প্রতিবাদ করেন নি। কিন্তু সম্প্রতি যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এই গ্রূপটি গত ১৯ নভেম্বর মনসুন মাসালা রেস্তোরায় সভা করে। ওই সভায় অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে দলীয় শৃঙ্খলা না মেনে জর্জিয়া আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য রাখেন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেন যা জর্জিয়া আওয়ামীলীগের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে বলে আমি মনে করি। আমি ওই বক্তব্য দানকারীর বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। জর্জিয়া আওয়ামীলীগ নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা করার এখতিয়ার শুধু জর্জিয়া আওয়ামীলীগের কার্যকরী পরিষদেরই রয়েছে যা শুধু কার্যকরী পরিষদের সভায় করা উচিত ।

প্রায় ত্রিশ বছরের পুরানো দল জর্জিয়া আওয়ামীলীগ, প্রবাসে এর সুনাম রয়েছে বিস্তর। জর্জিয়া আওয়ামীলীগের বর্তমান সভাপতি আলী হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ রহমান দায়িত্ব পালন করছেন। জর্জিয়া আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পদে যারা রয়েছেন তারা দীর্ঘদিন জর্জিয়ায় রাজনীতি করে অনেক ছোট পদ থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদে এসেছেন। যদিও গত সম্মেলনে কয়েকটি পদে বিচার বিবেচনা না করে অনেককে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেয়া হয়েছে যা বহন করার ক্ষমতা তাদের নেই। জর্জিয়া আওয়ামীলীগ নিয়ে যুবলীগ নামের যে কোন ব্যক্তি ভবিষ্যতে বিরূপ মন্তব্য প্রকাশে বিরত থাকবেন বলে আমি আশা রাখি। আমার মনে হয় যে যত বড় নেতাই হন না কেন তারা দেশে গিয়ে অনেক জোরে গলা ফাটিয়ে নিজেকে জাহির করুন। এখানে রাজনীতি করতে হলে নিয়ম মেনে সিনিয়রদের সম্মান দেখিয়ে দেশীয় রাজনীতি করা উচিত। আওয়ামীলীগ কিংবা যুবলীগের সভায় মানুষ জড়ো করলেই বিরাট নেতা হওয়া যায় না মনে রাখবেন, একটি সভায় উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ কে কোন দলের আদর্শে বিশ্বাসী তা সচেতন মহল ভালো করেই জানেন । মানুষ জড়ো করলেই যদি নেতা হওয়া যায় তাহলে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের অনেক বর্ষীয়ান নেতা দলীয় নিয়ম নীতি ভাঙার অপরাধে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ হতো না।

— এ এইচ রাসেল (যুগ্ম সম্পাদক ,জর্জিয়া আওয়ামীলীগ )

Comments

comments

x