আজ মঙ্গলবার | ২৬ সেপ্টেম্বর২০১৭ | ১১ আশ্বিন১৪২৪
মেনু

নিউইয়র্কে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ১২৫তম জন্মদিন পালিত

মানচিত্র ডেস্ক | ১০ সেপ্টে ২০১৭ | ২:৪৬ অপরাহ্ণ

সোহরাওয়ার্দী ছবি- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ১২৫তম জন্মদিন পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১১টায় নিউইয়র্কের এস্টোরিয়া ৩৬ এভিনিউস্থ একটি রেস্তোরাঁয় এ উপলক্ষে এক মনোজ্ঞ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সোহরাওয়ার্দী সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি প্রবীণ শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভাটি পরিচালনা করেন সোহরাওয়ার্দী সংস্কৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন। উপস্থিত অতিথিরা সোহরাওয়ার্দীর বর্ণাঢ্য জীবনের ওপর সারগর্ভ আলোচনায় অংশ নেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আমেরিকা-বাংলাদেশ অ্যালায়েন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এমএ সালাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম জিকু, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি-যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন, উদয়ন শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি ডা. টমাস দুলু রায়, কণ্ঠশিল্পী শামীম আরা আফিয়া, ইন্টারন্যাশনাল বঙ্গবন্ধু সেন্টারের মহাসচিব ভূতত্ত্ববিদ গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, চিকিৎসক ডা. হেলেন রায়, সংগঠক জাহাঙ্গীর কবীর, বঙ্গবন্ধু প্রচারকেন্দ্র সমাজকল্যাণ পরিষদের সহ সভাপতি ফিরোজ মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক কবি এম আনোয়ার, রিয়েল্টর আবু শোয়েবসহ আরো অনেকে।

প্রধান অতিথি এমএ সালাম তার বক্তব্যে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোহরাওয়ার্দীকে তার রাজনৈতিক পিতা হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। অথচ বর্তমান সময়ের অনেক নেতাই সোহরাওয়ার্দীর নাম যথাযথভাবে উচ্চারণ করেন না।’

সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন বলেন, ‘কিংবদন্তী নেতা সোহরাওয়ার্দী গণতন্ত্রের পতাকাকে সমুন্নত রাখার সাধনায় সারা জীবন ব্যাপৃত ছিলেন বলে তাকে ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ হিসেবে অভিহিত করা হয়ে থাকে।’

সভাপতির ভাষণে শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান বলেন, ‘পদ্মা-মেঘনা-যমুনা যতদিন বহমান থাকবে, ততদিন স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা সোহরাওয়ার্দী ও তার একান্ত শিষ্য স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম রবে চির অমলিন। সোহরাওয়ার্দী ছিলেন তার সময়কার অবিস্মরণীয় জনপ্রিয় নেতা।’

সভার শুরুতে সোহরাওয়ার্দী ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পামাল্য অর্পণ করা হয়। পরে ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, কেন্দ্রীয় কারাগারে নিহত চার জাতীয় নেতা, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও ১৯৫২-এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে সভায় দাঁড়িয়ে এক মিনটি নীরবতা পালন করা হয়।

 

Comments

comments

x