আজ শুক্রবার | ১৯ জানুয়ারি২০১৮ | ৬ মাঘ১৪২৪
মেনু

জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ১৫৬

মানচিত্র ক্রীড়া ডেস্ক | ২৯ আগ ২০১৭ | ৩:২২ অপরাহ্ণ

ছবি- সংগৃহীত

টার্ন, বাউন্স, গতি। মিরপুরের উইকেট সবই দিচ্ছে। শেষ বিকেলে সাকিব, মিরাজ দুই উইকেট নিয়ে পরিবেশ গরমও করে তোলেন। কিন্তু পথের কাটা হয়ে থেকে গেছেন দুই ‘মহারথী’ স্টিভেন স্মিথ (২৫) এবং ডেভিড ওয়ার্নার (৭৫)। জয়ের জন্য সামনের দুইদিনে তাদের করতে হবে ১৫৬। দুইদিন কথাটা বলার জন্য বলা। কারো বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় বুধবারই (চতুর্থ দিন) অঙ্কের শেষ লাইন চলে আসবে।

বাংলাদেশ ২৬৫ রানের টার্গেট দিয়ে থামার পর সাকিব, মিরাজ ২৮ রানের ভেতর খাজা (১) এবং রেনশকে (৫) ফিরিয়ে দেন। এরপর ওই ওয়ার্নার অপরাজিত আছেন বলেই শঙ্কার কথা নয়, যেভাবে তিনি খেলেছেন সেটা ভাবাচ্ছে। দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার করা ১০৯ রানের ভেতর তিনি একাই করেছেন ৭৫। চতুর্থদিন এই তেজ ভাঙতে না পারলে নির্ঘাত বিপদ।

ঘরের মাঠে টেস্টে বাংলাদেশের শেষ জয় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে ২৭৩ রানের টার্গেট দিয়ে ইংলিশদের ১৬৪ রানে গুটিয়ে দেন সাকিবরা। ইংল্যান্ড সেদিন খেলতে পারে মাত্র ৪৫.৩ ওভার। মঙ্গলবার তামিম, মুশফিক ছাড়া ব্যাট হাতে আর কেউ তেমন একটা ভালো করতে পারেননি। তামিম এই নিয়ে ক্যারিয়ারে ৬ বার প্রতি ইনিংসে অর্ধশতক কিংবা তার বেশি রান করলেন। প্রথম ইনিংসে ৭১ করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৮ করে সাজঘরে ফেরেন দেশসেরা ওপেনার।

সকালে তামিমের কাজটা সহজ ছিল না। তাইজুলকে নিয়ে পাঁচ ওভার পার করেন। ষষ্ট ওভারে ওই তাইজুলকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন নাথান লায়ন। লিড যখন ১০৪, তখন যোগ দেন ইমরুল কায়েস। তিনি এসে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। ২ রানের মাথায় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর সাকিব ৫ রানের মাথায় ফিরে যান। সাব্বির বেশ চালিয়ে খেলছিলেন। কিন্তু ২২’র বেশি করতে পারেননি। স্কয়ারকাট করতে যেয়ে নাসিরকে ফিরতে হয়েছে ০ রানে। সবচেয়ে অভাগার নাম মুশফিক। সাব্বিরের স্ট্রেইট-ড্রাইভ লায়নের আঙুল ছুঁয়ে নন-স্ট্রাইক প্রান্তের উইকেটে লাগে। মুশফিক তখন ক্রিজের বাইরে! ৪১ রান তুলে দারুণ ব্যাট করছিলেন।

মুশফিক ফিরে যাওয়ার পরই মূলত বাংলাদেশের লিডটা ছোট হয়ে আসে। শেষদিকে শফিউল (৯)-মিরাজ (২৬) মহামূল্যবান ২৮টি রান যোগ করেন।

দ্বিতীয় দিন শেষ বিকেলে সৌম্যর উইকেট হারিয়ে ৮৮ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করেছিল বাংলাদেশ। দিনটি ছিল সাকিবময়। এদিনের পুরো বেলা তামিমময় হয়ে থাকলো। আরেক দিকে-স্মিথ, ওয়ার্নার!

Comments

comments

x