আজ বৃহস্পতিবার | ১৯ জুলাই২০১৮ | ৪ শ্রাবণ১৪২৫
মেনু

আটলান্টায় ডি,সি,আই -এর ফ্যামিলি এপ্রিসিয়েশন

বশীর উদ্দীন আহমেদ: | ০৭ মে ২০১৫ | ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ

গত ৩ মার্চ ২০১৫ আটলান্টা ডোরাভিল সিটি সিভিক সেন্টারে ডি,সি,আই,আই,আটলান্টা চাপ্টারের উদ্দ্যোগে চিল্ড্রেন এপ্রিসিয়েশন সভা অনুষ্ঠিত হয় । আটলান্টা চাপ্টার কো-অরডিনেটর জনাব ফারুক আহমেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে গুরুত্বপুর্ণ বক্তব্য রাখেন ডাঃ সৈয়দ ওয়াসীম ডাঃ আজিজুল হক, গাইডেন হকিন্স,ফাতিম আহমেদ,মাইসুন মালিহা,গোলাম মহীউদ্দীন,ইলা চন্দ,মাহিদুল হক,হোসনে আর বিন্দু ,খান মাসুদুর রহমান ,ডিউক হাসান খান,আরজু ও শান্তা সহ অন্যান্য শিশুরা। ডাঃ সৈয়দ ওয়াসীম তার স্বাগতিক বক্তব্যে ডিসি,আই-য়ের কার্য্যক্রম তুলে ধরে আমেরিকায় বেড়ে উঠা ছেলে মেয়েদের এই মহতি উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত করারা জন্য অভিবাবকদের আহ্বান জানান। তিনি বলেন আমরা সবাই পরিবার পরিজন নিয়ে দেশে বেড়াতে যাই একটু সময় করে ঢাকার কল্যাণপুর বস্তিতে ডি,সি,আই, প্রতিষ্টিত ক্লিনিক স্কুল ও এতিমখানা সন্তানদের দেখানোর অনুরুধ করেন। তিনি বলেন শুধু মাত্র অবহেলিত শিশুকেই স্কুলে পাঠাচ্ছেনা তার পরিবারকেও সহযোগীতা ও সমর্থন দিয়ে থাকে। জনাব ওয়াসীম জানান কল্যাণ পুর বস্তিতে প্রায় নয় সহস্র দারিদ্র পিড়ীত সুবিধা বঞ্চিতদের বসবাসের ব্যবস্থা ও ডি সি,আই-ক্লিনিক তাদের বিনা মূল্যে ক্ষেত্র বিশেষে নাম মাত্র মূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। ডি ,সি,আই-এর পক্ষ থেকে সেখানে রয়েছেন দুই জন ডাক্তার,দুই জন স্বাস্থ্য কর্মি ও ৪ জন কমিউনিটি ওয়ার্কার। তিনি বলেন আমেরিকার এক ডলার “হ্যাজ এ হিউজ ইম্পেক্ট ব্যাক হোম”।ডাঃ আজিজুল হক জানান আটলান্টা চাপ্টারের উদ্যোগে কল্যাণ পুর ক্লিনিকে “টেলিমেডি সেন্টার” খোলার পর থেকে সপ্তাহে এক দিন ,প্রতি বুধ বার আটলান্টা থেকে রোগীদের বিশেষোজ্ঞ পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।রুগীরা ঢাকায় বসে আমেরিকার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের (ডঃ অব মেডিসিন) পরামর্শ লাভে সক্ষম হচ্ছেন বিনা মূল্যে। তিনি এখানে “এন্যুয়াল ইভেন্টস ফর কীডস” এবং শিশুদের ইন্টার্ণি-শীপে বাংলাদেশে প্রেরণের উপর বিশেষ গুরুত্বারুপ করেন।

তিনি আমেরিকার ভাগ্যবান শিশুদের বাংলাদেশের সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের সরেজমিনে দেখে আসার আহ্বান জানান। তিনি জানান কৈল্যাণ পুর ক্লিনিকে দৈনিক গড়ে ২৫ থেক ৩০ জন রুগী দেখা হয়। তার সুপারিশে বাংলাদেশের কোন কোন বিশেষজ্জ চিকিৎসক ও প্রতি দিন বিনা মূল্যে একজন রুগী দেখেন বলে জানা যায়! ডাঃ ওয়াসিম জানান বস্তিতে ডি,সি,আই-এর ব্যবস্থাপনায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এতিমখানা ,সেখানে প্রায় ৪০ জন মাতৃ-হারা পিতৃহারা মেয়েকে সম্পূর্ণ বিনা মুল্যে থাকা-খাওয়া চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের বয়স তিন থেকে বার বছর, তাদেরকে রিক্সাভ্যান যোগে স্কুলে আনা নেয়া করা হয়। তিনি বলেন ডি,সি,আই-এর ব্যবস্থাপনা ব্যয় খুবই সামন্য অনুদানের প্রায় পুরোটাই গিয়ে পৌছে তৃণ্মুলে তা’ছাড়া স্পন্সরকৃত শিশুর সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থানের ব্যবাস্থা রয়েছে।এ’ছাড়া ভারত ও নেপালেও ডি,সি,আই-এর কার্য্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।কিশোরী শান্তা জানান শিঘ্রই ডি,সি,আই-এর ফেইস বুক পাইজ চালু করা হবে ।এব্যাপারে সকলের পরামর্শ ও সহযগীতা কামনা করে শান্তা। শিশু ফাতিম তার বাংলাদেশ ভ্রমনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে সবাইকে “পিগি-ব্যঙ্ক” দেখিয়ে তার সঞ্চয়ের খুচরা পেনি কিভাবে দান করে অবদান রাখে তার বিবরণ দেয়। অনুষ্ঠানে আগত অন্যান্য শিশুরাও এভাবে পিজি ব্যঙ্কে সঞ্চয়ের ইচ্ছা ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে স্কুল কলেজে ডি,সি,আই-কে পরিচিত করে তুলার আহ্বান জানানো হয়। সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে ডি,সি,আই-এর মাীনব সেবা কার্য্যক্রমকে আরো গতিশীল করার ইচ্ছে ব্যাক্ত করা হয়। এখানে উল্ল্যেখ করা আবশ্যক যে ডি,সি,আই-কল্যাণপুর ক্লিনিকে দীর্ঘ দিন জন্মান্ধ,নাক-কাতা ঠুট-কাটা রোগীদের প্রায় বিনা মূল্যে বিদেশী চিকিৎসক ধ্বারা সার্জারী করানো হয়ে থাকে। সেন্ডুইচ,পিজা,পাস্তা সহ নানা প্রকার নরম পানীয় সহযোগে দুপুরের হালকা খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে সভার কাজ সমাপ্ত হয়!

Comments

comments

x